welcome to mygeo.in Indian no 1 geography based website in Bengali

মনোবিদরা কীভাবে মনোযোগকে সংজ্ঞায়িত করেছেন। মনোযোগের শ্রেণিবিভাগ করো।

মনোবিদরা কীভাবে মনোযোগকে সংজ্ঞায়িত করেছেন। মনোযোগের শ্রেণিবিভাগ করো।


উত্তর

মনোযোগের সাজা

বিভিন্ন মনোবিদ মনোযোগকে বিডিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন-

[1] উনিশ শতকের মাঝামাঝি ভুত, চিচেনার প্রমুখ অবয়ববাদী মনোযোগকে কেন্দ্রীভূত চেতনা হিসেবে আখ্যা দেন।

[2] বিশ শতকের প্রথম ভাগে আচরণবাদী উডওয়ার্থ মনোযোগের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন, হতন মনের নির্বাচন প্রক্রিয়া হল মনোযোগ। অনেকগুলি উদ্দীপকের মধ্যে থেকে কোনো একটি বিশেষ উদ্দীপক বেছে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে মনোযোগ বলে।

[3] রস-এর মতে, মনোযোগ একটি প্রক্রিয়া যা চিন্তার বিষয়কে সুস্পষ্টভাবে মনের দরজায় এনে উপস্থিত করে।

[4] ম্যাকডুগালের মতে, যে মানসিক সক্রিয়তা জ্ঞানমূলক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে তাকে মনোযোগ বলে।

[5] আর এন শর্মার মতে, মনোযোগ হল এমন একটি প্রক্রিয়া, যা ব্যক্তিকে পরিবেশের মধ্যে অবস্থিত বন্ধু উদ্দীপকের মধ্য থেকে তার আগ্রহ ও দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী বিশেষ উদ্দীপকটিকে নির্বাচন করতে বাধ্য করে।

মনোযোগের শ্রেণিবিভাগ

মনোবিদ রস মনোযোগকে দু-ভাগে ভাগ করেছেন- [1] ইচ্ছাপ্রসূত মনোযোগ এবং [2] ইচ্ছানিরপেক্ষ মনোযোগ।

(1) ইচ্ছাপ্রসূত মলোমেঘাগ: যে মনোযোগের পিছনে ব্যক্তির ইচ্ছা ক্রিয়াশীল, তাকে ইচ্ছাপ্রসূত মনোযোগ বলে। যেমন-পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ না থাকলেও শিক্ষার্থী পরীক্ষার আগে পাঠের প্রতি মনোযোগী হয়।

এই ইচ্ছাপ্রসূত মনোযোগকে আবার দু-ভাগে ভাগ করা হয়। যে ইচ্ছাপ্রসূত মনোযোগের ক্ষেয়ে ব্যক্তি শুরুতে একবার মার ইচ্ছা প্রয়োগ করে এবং পরবর্তী ক্ষেত্রে মনোযোগ স্বাভাবিকভাবেই চলে, তাকে গুপ্ত ইচ্ছাপ্রসূত মনোযোগ বলে। আবার যে ইচ্ছাপ্রসূত মনোযোগে বারবার ইচ্ছাকে প্রয়োগ করা হয়, অন্যথায় মনোযোগ বাধাভান্ত হয়, তাকে বাত ইচ্ছাপ্রসূত মনোযোগ বলে।

(2) ইচ্ছানিরপেক্ষ মনোযোগ: উদ্দীপক বা পরিস্থিতির বৈশিষ্ট্য যখন আমাদের মনোযোগকে নিয়ন্ত্রণ করে, আমাদের ইচ্ছা অনিচ্ছা যখন মূলগ্রীন, তাকে ইচ্ছানিরপেক্ষ মনোযোগ বলে। যেমন-পড়ার সময় যদি বাইরে। মাইকে কোনো বক্তৃতা হয়, তখন আমাদের মনোযোগ সেখানে চলে যায়। প্রথাদ বলা যায়, ইচ্ছা না-থাকা সত্ত্বেও আমরা যেটির প্রতি মনোযোগ দিতে

এই ধরনের প্রথাৎ, উহানিরপেক্ষ মনোযোগ যখন প্রবৃত্তির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, তখন তাকে প্রকৃতি-প্রযুক্ত মনোযোগ বলে। যেমন-বিপদ দেখতে আমরা নিরাপতার তাগিদে নিরাপদ আশ্রমস্থান সন্ধানের প্রতি মনোযোগী এই। আবার যখন আবেগ, অভ্যাস বা সেন্টিমেন্টের কারণে আমরা মনোযোগী এই, তখন তাকে স্বতঃস্ফূর্ত মনোযোগ করা হয়। যেমন-মন দিয়ে পড়ার সময় বাইরের মাইকে যদি আমার প্রিয় গান বাজতে থাকে, তাহলে তার প্রতি আমরা মনোযোগী হয়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Middle post ad 01