ম্যাগলো তাঁর প্রেমণারত্বে ব্যাক্তির চাহিদাকে যে পিরাধিত আকারে প্রকাশ করেছেন, রা টিম-সহ বর্ণনা করো।।
উত্তর
ম্যাসলোর চাহিদার ক্রমপর্যায় তত্ত্ব
ম্যাসলো তাঁর প্রেষণারত্বে বাতির চাহিদাকে একটি পিরামিড আকারে প্রকাশ করেছেন। সেই পিরামিডের বিভিন্ন ভরপুজি হল নিম্নরূপণ-
[1] এই পিরামিডের সর্বাপেক্ষা নীচের ধরে রয়েছে অস্থিত্ব রক্ষার চাহিদা বা পারীরবৃগীয় চাহিদা। শারীরবৃতীয় চাহিদার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল খাদ্য, জল, আগ্রহ, ভুষা, তুরা, নিদ্রা ইত্যাদি।
[2] পিরামিডে নীচ থেকে দ্বিতীয় গরে রয়েছে নিরাপতার চাহিদা। এই চাহিদা শারীরিক এবং মানসিক উভয় প্রকারের হয়। সুরক্ষা, ওয় থেকে মুক্তি, দিবেগগ্রীণতা, অস্তিত্ব ইত্যাদি নিরাপত্তার চাহিদার
[3] পিরামিডে তৃতীয় ভরে রয়েছে অন্তর্ভুক্তির চাহিদা। এই চাহিদার অন্তগত বিষয় হল চালোবাসা, একাত্মতা সৌহাদ্য ইত্যাদি।
[4] পিরামিডের চতুর্থ ভরে রয়েছে আত্মপ্রধার চাহিদা। এই চাহিদাটি রুমে সীমিত বন্ধু থেকে বৃহত্তর লক্ষ্য অভিমুখী হয়। কেপোরে এই চাহিদাটি সব থেকে বেশি শক্তিশালী হয়। এই চাহিদাষ্টি ব্যক্তির মধ্যে আত্মনিক্ষরতা এবা স্বাধীনভাবে কাজ করার প্রবণতা বৃদ্ধি করে, যা বাক্তিকে ডবিষাদ কালে সহায়তা করে।
[5] পিরামিডের পঞ্চম ভরে রয়েছে জ্ঞানমূলক চাহিদা। এর অন্তর্গত বিষয় হল বোধগমাতা, অনুসন্ধান ইত্যাদি।
[6] পিরামিডের ষষ্ঠ ভরে রয়েছে সৌন্দর্য সম্ভোগের চাহিদা। এর অন্তর্গত বিষয়সমূহ হল বিন্যাস-সংগঠন।
[7] পিরামিডের সপ্তম তথা শেষ পর্যায়ে রয়েছে আত্মপ্রকাশের প্রক। ম্যাসলোর মতে, প্রত্যেক মানুষ প্রায় তার মধ্যে যে সমস্ত প্রবণতা, এক সম্ভাবনা সুপ্তাবস্থায় রয়েছে তার বাস্তবায়ন। তবে এই চাহিদার হওয়ায় পূর্বে বাক্তির অপরাপর চাহিদাগুলি সঠিকভাবে পূরণ হঞ্জ প্রয়োজন।
ম্যাসলোর প্রেষণা সম্পর্কিত চাহিদার ক্রমপর্যায় তত্ত্বের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
মাসলো তাঁর তত্বে যেসব চাহিদার কথা উল্লেখ করেছেন এবং সেইস চাহিদার সঙ্গে সম্পর্কিত প্রেষণাগুলি কীভাবে সৃষ্ট, তা এখানে সংকে আলোলো করা হল-
[1] অস্তিত্ব রক্ষার চাহিদা বা শারীরবৃত্তীয় চাহিদা: ম্যাসলোর মহা মানুষের বেঁচে থাকার জন্য কতকগুলি চাহিদা পূরণের প্রয়োজন হয়।। চাহিদাগুলিকে অস্তিত্ব রক্ষার চাহিদা বা শারীরবৃত্তীয় চাহিদা বলা হয়।। গেহিদাগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল খাদ্য, জল, বায়ু, আলো ইত্যাদি।এই হাবিশাশুড়ি দিপুর জন্মের সাথে নেকেই তার যধ্যে থাকে।
[2] নিরাপত্তার চাহিদা : এগুলোর মতে, শারীরবৃন্ত্রীয় রাহিদার মতো অন্য একটি পূর্ণ গহনার হাহিদা। এই হারিণার প্রশ্নপত বিষয়দি ২০ সুরক্ষা, প্রতি উৎবেগহীনতা, জনা থেকে মুক্তি, অভির इन विয়ে শিল্পীরা যদি কোনো শিশুক বা পিজিকা দেখতে জীব হয় অথবা, প্রবিতে শিক্ষক শিক্ষিকা সঠিকভাবে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা না করেন, সেক্ষেত্রে শিওরুগীরা নিরাপতজীবতায় ভুগতে শুর করে।
এইসব কারণে প্রেণিতে শিক্ষক শিক্ষিকার সংযোগিতামূলক আরো বিশেষভাবে প্রয়োজন এবং অপাত্রীদের সহমদিয়া ও সংখোদিতা বিশেষভাবে কামা।
[3] অন্তর্ভুক্তির অগ্রিমা: ভালোবাসা, একাত্মবোধ প্রকৃতি সামাজিক গ্রামসাগুতি প্রণ্ডচুক্তির গ্রেহিমার হধ্যে পড়ে। অন্তর্ভুক্তির চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে যেখন প্রেষণা জায়ত হয়, সেগুলি বাক্তিকে সামাজিক আদর্শের নিরিখে আহরণ সম্পাদন করতে সহায়তা করে। বিদ্যালয়ভরে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের উচ্চত হায়হারীদের মধ্যে অন্তর্ভুক্তির চ্যাইনাপূরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
[4] আত্মশ্রদ্ধার চাহিদা:ম্যাসলোর মতে, প্রত্যেক বাস্তি চায়, অনারা তাকে বাতি হিসেবে উপযুক্ত পুরুত্ব নিক। এই চাহিদাটি মূলত বাক্তির আত্মসচেতনয়াকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে। এই চাহিনা থেকেই ব্যক্তির মধ্যে আত্মাাখার প্রেষণার উহব ঘটে। এক্ষেত্রে শিক্ষক-পিত্তিকাদের দায়িত্ব হল ভাঃজারীদের মধ্যে যাতে তাদের নিজ নিজ যোগ্যতা এবং আশ্বসম্মানবোধ সম্পর্কে উপযুক্ত ধারণা গড়ে ওঠে, তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
[5] আত্মপ্রকাশের চাহিদা: ম্যাসলোর মতে, জানমূলক চাহিদা, সৌন্দর্য সাপ্তাপের চাহিদাপূরণের পর ব্যক্তির মধ্যে সবশেষে যে চাহিদাষ্টি পূরণের পরকার হয়, তা হল আত্মপ্রকাশের চাহিদা। এই চাহিদার সঙ্গে সংপ্রিই প্রেষণাকে আত্মপ্রকাপের প্রেষণা বলে। এই প্রেষণাটি লিভার দ্বারা প্রভাবিত হয়। এই প্রেষণা দ্বারা সৃষ্ট কাজ শিক্ষার্থীকে একদিকে যেমন কাক্তিগত প্রাইসাপূরণে সহায়তা করে, অনাদিকে তার সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতেও সহায়ক হয়।
ম্যাসলোর প্রেষণা সম্পর্কিত চাহিদার ক্রমপর্যায় বিশ্লেষণ করে বলা যায়, নীচের ভর থেকে শুরু করে শীর্ষজর পর্যন্ত কোনো একটি চাহিদা যথাযথভাবে পূরণ করা না হলে শিক্ষার্থীর শিক্ষা ব্যাহত হবে। তাই শিক্ষক শিক্ষিকার কর্তব্য হবে শিক্ষার্থীর জন্য এমন শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তোলা, যাতে প্রতিটি শিক্ষার্থীর ক্রমপর্যায়ভিত্তিক চাহিদা পূরণ হয় এবং পরপর প্রতিটি পর্যায়ের প্রেষণাগুলি সক্রিয় হয়ে ওঠে।