বৈজ্ঞানিক অঙ্কপাতন-এর ধারণা (concept of scientific notation)
বৈজ্ঞানিক অঙ্কপাতন-এর ধারণা (concept of scientific notation) কোনো বৃহৎ সংখ্যা অথবা অত্যন্ত ক্ষুদ্র কোনো সংখ্যাকে সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশ করার জন্য যে পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়, তাকে বৈজ্ঞানিক অঙ্কপাতন পদ্ধতি বলা হয়। যেমন- (1)10 ¹⁷ ,(2) 10 -¹³,(3) 3.5 ×10 ¹² ইত্যাদি। 7.6 × 10-¹¹ বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে এমন অনেক বড়ো এবং ছোটো সংখ্যা রয়েছে, যা এক সময় মানুষের কল্পনাতীত ছিল। যেমন-পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দূরত্ব 15 কোটি কিমি আবার একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর ব্যাসার্ধ 0.0000000037 সেন্টিমিটার। সভ্যতার বিকাশের সাথে সাথে বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে এসকল বিষয় আজ মানুষের কাছে খুব সহজবোধ্য ব্যাপারে পরিণত হয়ছে। সুবিধার জন্য বিজ্ঞানীরা ঐ সকল সংখ্যাকে a * 10 ^ n আকারে প্রকাশ করে থাকেন, সেখানে 1 <= a < 10 < অর্থাৎ ১-এর মান। বা তারচেয়ে বড়ো কিন্তু 10 অপেক্ষা ছোটো এবং n হচ্ছে ধনাত্মক বা ঋণাত্মক পূর্ণমান)। কোনো ঋণাত্মক সংখ্যাকে আদর্শরূপে প্রকাশ করতে হলে তার পরমমানের আদর্শরূপের আগে মাইনাস (-) চিহ্ন দিতে হবে। কোনো সংখ্যার এবণ প্রকাশকে বৈজ্ঞানিক রূপ বা আদর্শ রূপ বলা হয়। এ প্রকাশ দুইভাবে দেখানো হয়। যেমন- ① যদি ১-এর মান এক…