সাধারণ পোলার কো-অর্ডিনেট পদ্ধতি (Plane Polar Co-Ordinate System) Plane Polar Co-Ordinate System-এর ক্ষেত্রে কোন Point বা বিন্দুর অবস্থানকে দুই ধরণের বৈশিষ্টাবাং প্রকাশ করা হয়। যেমন Pole বা Origin বা উৎস (0, 0) থেকে দূরত্ব এবং উৎস (0.0) থেকে নির্দিষ্ট দিকে উৎপ কৌণিক (৪) দূরত্বের পরিমাপ (যা সাধারণত উত্তরাভিমুখী এবং যার কৌণিক পরিমাপ ঘড়ির কাঁটার দিক থেকে পরিমাপ করা হয়।) এবং কোণ (0) 360 deg এর গুণিতকে প্রকাশ করা হয়, কখনো যখন। শূন্যের ('0') থেকে বড় (r, ৪) বড় (r.) এবং (- r, theta + 180 deg) দুটি ক্ষেত্রেই বিন্দু একই স্থানে অবস্থান করে। কার্টেসিয়ান ও পোলার কো-অর্ডিনেট সিস্টেমকে সহজেই এক থেকে অন্যে পরিবর্তিত করা যায় নিম্নলিখিত সূত্রের মাধ্যমে X rcose, Y = rsin r = (X²+ Y²)À lambda এবং ৪ = arc tan (Y/X) (i) সামগ্রিক কো-অর্ডিনেট পদ্ধতি ( [ Global Co-Ordinate System): যদি পৃথিবীকে আমরা Spheroid হিসাবে কল্পনা করি, এবং এর পৃষ্ঠতলের ওপর দিয়ে একটি Spherical Grid System তৈরী করতে পারি, তবে সেখান থেকে দুই ধরণের কাল্পনিক রেখা পাওয়া সম্ভব। এক ধরনের রেখা যার রাতাকেই প্রত্যেকের সমান্তরালভাবে অবস্থিত (য…